মঙ্গলবার, ৩০ Jun ২০২৬, ০৫:০০ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ সুদানে জাতিসংঘের ঘাঁটিতে হামলা, ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত জাপানে জোট সরকার গড়তে রাজি এলডিপি, ইশিন হামাস যুদ্ধ বিরতির লঙ্ঘন ঘটিয়েছে অভিযোগ করে গাজায় ইসরায়েলের হামলা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে লাখো মানুষের ঢল

ব্যর্থতা স্বীকার করলেন ইমরান খান

ঋণের ভারে ধুঁকতে থাকা পাকিস্তানকে অর্থনৈতিক উন্নতি দেখানোর স্বপ্ন ফেরি করে ২০১৮ সালে ক্ষমতায় আসে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) পার্টি। প্রধানমন্ত্রী হন ১৯৯২ সালের বিশ্বকাপ জয়ী পাকিস্তান ক্রিকেট দলের অধিনায়ক ইমরান খান। গত চার বছরে চেনাব-সিন্ধু দিয়ে অনেক পানি গড়িয়েছে। সিস্টেমের নীতিপঙ্গুত্বের করাল গ্রাস কি শেষমেশ এড়াতে পেরেছে পাকিস্তান? অন্তত প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বক্তব্যে তা মনে হচ্ছে না। সম্প্রতি একটি সরকারি অনুষ্ঠানে ইমরান খান বলেন, ‘আমি দেশে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে চেয়েছিলাম। কিন্তু দেশের সিস্টেম তথা আমলাতন্ত্র সেই অভিঘাত সইতে পারল না’।

অনুষ্ঠান ছিল দেশের সবচেয়ে সফল ১০টি মন্ত্রণালয় ও দফতরকে পুরস্কার প্রদানের। সরকারি সেই মঞ্চকে ব্যবহার করেই নিজের খেদ ঝাড়লেন ইমরান খান। শুধু আমলাতন্ত্রকেই দোষারোপ নয়, প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলেন, ‘সবচেয়ে বড় সমস্যা হল, সরকার এবং দেশের মানুষের স্বার্থের কোনও সংযোগ-সেতু নেই’।

পাকিস্তানের ‘ দ্য ডন’ সংবাদপত্রে বেরিয়েছে এই প্রতিবেদন। তাতে বলা হয়েছে, তেল ও বিদ্যুতের দামের ব্যাপক বৃদ্ধি খান সরকারের উপর চাপ বাড়াচ্ছে। দুর্নীতি ও শ্লথগতির আমলাতান্ত্রিক গতিবিধির স্থায়ী সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ইসলামাবাদের ক্ষমতায় বসা ‌ইমরানের বিরুদ্ধে ইদানীং সবচেয়ে বড় অভিযোগ হল, প্রতিশ্রুতি পালন না করার। কারণ দৃশ্যত পাকিস্তানের অর্থনীতি উল্লেখযোগ্য ভাবে নিম্নগামী। লাগাম পরানো যাচ্ছে না মুদ্রাস্ফীতিতে। উল্টো দিকে পাল্লা দিয়ে বেড়ে চলেছে আন্তর্জাতিক বাজারে ঋণের বোঝা।

কয়দিন আগেই প্রায় গোটা মন্ত্রিসভা নিয়ে চীন সফরে গিয়েছিলেন ইমরান খান। সরকারি ভাবে অবশ্য বলা হয়েছিল, তিনি শীতকালীন অলিম্পিকের উদ্বোধনে অংশ নেবেন। কিন্তু সপার্ষদ ইমরান চীনের রাষ্ট্রপ্রধান এবং সে দেশের ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বৈঠক করেন। সূত্রের খবর, আর্থিক অনুদান এবং ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রেও তিনি সরাসরি লাল চীনের সহায়তা প্রার্থনা করেছেন। সব মিলিয়ে দিশেহারা অবস্থা ‘আচ্ছে দিন’-এর স্বপ্ন দেখিয়ে প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসা ইমরানে খানের।

ইমরান খান সম্পর্কে ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, এত সহজে হাল ছাড়ার বান্দা নন তিনি। কিন্তু নিজের পরিকল্পনার সঠিক বাস্তবায়ন যে সম্ভব হচ্ছে না, সম্ভবত তা বুঝতে পেরেই তিনি বলেন, ‘আমি বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সেই পরিবর্তনের অভিঘাত সওয়ার ক্ষমতা নেই দেশের আমলাতন্ত্রের’।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com